গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। উপত্যকার নুসাইরাত শরণার্থী শিবিরে হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন।এ ছাড়া গাজার কেন্দ্রীয় এলাকায় আজ-জাওয়াইদায় এলাকায় নিহত হয়েছেন পাঁচজন। দুই এলাকায় আহত হয়েছেন বহু ফিলিস্তিনি।
দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী হামলার তথ্য নিশ্চিত করেছে। তারা বলছে, হামাস যুদ্ধবিরতির স্পষ্ট লঙ্ঘন করে ‘হলুদ সীমার’ ওপারে ইসরায়েলি বাহিনীর ওপর একাধিক হামলা চালিয়েছে। খবর আল জাজিরার।
নুসাইরাত শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি হামলায় হতাহতের তথ্য নিশ্চিত করেছেন আল-আউদা হাসপাতালের এক চিকিৎসা কর্মকর্তা। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে তিনজন নিহত হয়েছে। আহতের সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়।
এদিকে, গাজার কেন্দ্রীয় এলাকায় আজ-জাওয়াইদায় ইসরায়েলি হামলায় পাঁচ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে আল-আকসা হাসপাতালের একটি সূত্র। তারা আহতের সংখ্যা জানাতে পারেন।
এর আগে গাজার উত্তরাঞ্চলে ইসরায়েলি বিমান হামলায় আরও দুই ফিলিস্তিনি নিহত হন বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনি সংবাদ সংস্থা ওয়াফা।
গাজা সিভিল ডিফেন্সের তথ্যমতে, ইসরায়েলি বিমান হামলায় রোববার (১৯ অক্টোবর) গাজাজুড়ে অন্তত ১১ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। প্রতিষ্ঠানটির মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল জানান, ইসরায়েলি বিমানবাহিনী আজ একাধিক স্থানে হামলা চালিয়েছে, যার বেশিরভাগ লক্ষ্যবস্তু ছিল আবাসিক এলাকা। এসব হামলায় অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ছয়জন ছিলেন বেসামরিক নাগরিক। তারা উত্তর গাজার একটি স্থানে একসঙ্গে ছিলেন। তখন ইসরায়েলি বাহিনী ওই এলাকাটিতে বিমান হামলা চালায়।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা রাফায় বিমান হামলা চালিয়েছে। সেনাদের ওপর হামাসের ‘অ্যান্টি ট্যাংক মিসাইল ও গুলিবর্ষণের’ প্রতিক্রিয়ায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, জ্যেষ্ঠ প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরামর্শের পর তিনি এ সামরিক পদক্ষেপের অনুমোদন দিয়েছেন।
আরেক বিবৃতিতে সেনাবাহিনী জানায়, তারা গাজার দক্ষিণাঞ্চলে ‘সন্ত্রাসী লক্ষ্যবস্তুতে’ বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণ চালিয়েছে।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক,রোববার ১৯ অক্টোবর এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।




















